আদা : আদা
হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগের জন্য একটি সুপরিচিত প্রাকৃতিক চিকিৎসা। গবেষকদের মতে, আদা শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে এবং
শ্বাসনালী সংকোচন রোধে সাহায্য করে। এক কাপ ফুটন্ত পানির মধ্যে মেথি, আদার রস ও মধু দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল
দিতে হবে। রোজ
সকালে ও সন্ধ্যায় এই মিশ্রণটি পান উচিত।
কফি : কফি
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত গরম কফি পান করলে শ্বাসনালী
পরিষ্কার হবে। কিন্তু দিনে তিন কাপের বেশি ব্ল্যাক কফি খাওয়া উচিত না।
সরিষার তেল : অ্যাজমা
বা হাঁপানির আক্রমণ বেড়ে গেলে একটি বাটি মধ্যে একটু
কর্পূর এবং সরিষার তেল নিয়ে গরম করুন। এরপর আলতো করে বুকে এবং পিঠে ম্যাসেজ করতে
হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত উপসর্গ প্রশমিত হয় ততোক্ষণ ম্যাসেজ করতে হবে। এর ফলে
শ্বাসনালীর প্যাসেজ পরিষ্কার এবং স্বাভাবিক শ্বাস ফিরে পেতে সাহায্য করবে। ঘরোয়া
উপায়ে হাঁপানি প্রতিকারের এটি খুবই কার্যকরি পদ্ধতি।
রসুন : রসুন হাঁপানি প্রতিরোধে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ
করে। হাঁপানির একটি বিকল্প চিকিৎসা হিসাবে রসুন ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই
অ্যাজমা রোগীদের বেশি করে রসুন খাওয়া উচিত।
ডুমুর : ডুমুর ফলের পুষ্টি গুনাগুন শ্বাস যন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং কফ পরিষ্কার করত ও
শ্বাস কষ্ট কমাতে সাহায্য করে।
তিনটি শুকনো ডুমুর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে একটি পাত্রে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে।
সকালে খালি পেটে সে ডুমুর ভিজানো পানি এবং ডুমুর খেয়ে নিতে পারেন। কয়েক মাস বাড়িতেই এ
চিকিৎসা চালিয়ে গেলে অবশ্যই ফল
পাবেন।
মধু : মধু হচ্ছে হাঁপানির সবচেয়ে পুরনো নিরাময়ক উপাদান। মধুতে থাকা অ্যালকোহল এবং ইথারিয়েল তেল হাঁপানির উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১চা চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন দিনে ৩
বার।রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ১ চা
চামচ মধুর সাথে আধা চা
চামচ দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এটি গলার কফ দূর করতে এবং ভালো ঘুমাতে সাহায্য করবে।
টিপস:মেনে চলুনঃ
- যখনই অ্যাজমার কষ্ট শুরু হবে বুকে ও পিঠে সরিষার তেল মালিশ করুন। এতে
শ্বাস কষ্ট কমবে।
- গরম পানি দিয়ে গোসল করুন
- আপনার ঘর বিশেষ করে বেড রুম ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।
- প্রতি সপ্তাহে আপনার বিছানার চাদর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
- ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করুন।
- ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড আছে এমন খাবার খান।
- আপনার এক মাসের খাদ্য তালিকা লিপিবদ্ধ করুন এবং আপনার অ্যাজমার লক্ষণ
গুলো ও লিপিবদ্ধ করে রাখুন। ফুড অ্যালার্জির সাথে অ্যাজমার সম্পর্ক আছে, তাই কোন খাবারে আপনার অ্যালার্জির সমস্যা হচ্ছে আর কোনটা খেলে ভালো
অনুভব করছেন সেটা নির্ণয় করে খাদ্য নির্বাচন করুন।
- ধূমপান পরিহার করুন।
- খুব বেশি গন্ধযুক্ত খাবার ও পারফিউম বর্জন করুন।
উপরের
পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করেও যদি আপনার অ্যাজমার সমস্যা ভালো না হয় তাহলে অবশ্যই একজন
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
mmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmmm
যারা হাপানি রোগে
ভোগছেন, হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসা(ভেষজ/ ঘরোয়া/ হোমিওপ্যাথি) নিরাময়
চান।
গুগুল প্লে স্টোর
বা নিচের লিংক থেকে ” হাঁপানি রোগের চিকিৎসা”এপ্সটি ডাউনলোড করুন, হাঁপানি রোগের অনেক
অজানা তথ্য ও ঔ ষধ পাবেন এখানে।যদি ভাল লাগে,উপকারে
আসে,তা হলে এপ্সে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে একটি বা দুইটি ক্লিক করে,আমাকে সহায়তা করার জন্যে
অনুরুধ করা হল।
হাঁপানি রোগের
ও যৌন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শে জন্যে যোগাযোগ করতে পারেনঃ
ডাঃ সামসুল হক
এল এইচ এম পি
(বিএইচপিবি)
ডি এইচ এম এস
(বিএইচবি)
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক
মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,ঢাকা।
বাসা # ১৬,রোড #১২/বি,সেক্টর # ১০,উত্তরা,ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৫৩৪৫৮৮৯৪১।
No comments:
Post a Comment